1. dainiksurjodoy24@gmail.com : admin2020 : TOWHID AHAMMED REZA
  2. editor@surjodoy.com : Daily Surjodoy : Daily Surjodoy
বিদ্যুৎ বিলের ভোগান্তি নিরসনে বিইআরসিকে ক্যাবের চিঠি
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১১:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প সাতকানিয়ায় ১৭ টাকার জন্য যুবককে খুন! রুস্তমপুর হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয়ে অনিয়ম, অতিরিক্ত ইজারার বলি সাধারণ জনগন ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে এমপিও ভুক্ত হলেন কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজের ৩ শিক্ষক বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা এখন আগের চেয়ে অনেক কঠিন :শেখ হাসিনা তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে ১ জুলাই থেকে পানির দাম ১০ শতাংশ বাড়ছে ওয়াসা উপজেলা নির্বাচন : পটিয়ায় দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কুমিল্লায় অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

বিদ্যুৎ বিলের ভোগান্তি নিরসনে বিইআরসিকে ক্যাবের চিঠি

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০, ১০.০৫ পিএম
  • ২৩০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের ভোগান্তি নিরসনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ( বিইআরসি) এর কাছে চিঠি দিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

জানতে চাইলে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা শামসুল আলম বলেন, যে কোনও পাবলিক বডির কাছে পেশ করা কোনও নাগরিকের যে কোনও আবেদনপত্র ৪৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হতে হবে, ক্যাবের দায়েরকৃত রিট মামলায় হাইকোর্টের এমন আদেশ হয়েছে। ফলে কমিশন দ্রুত আমাদের প্রস্তাবের পক্ষে পদক্ষেপ নেবেন বলে আশা করছি।

ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা স্বাক্ষরিত চিঠিটি কমিশনের চেয়ারম্যানকে উল্লেখ করে দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়, ক্যাবের অভিযোগ কেন্দ্রে পাওয়া অভিযোগ এবং সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগগুলো বিশ্লেষণে দেখা যায়, করোনার কারণে মিটার রিডিং নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ওই তিন মাসের বকেয়া বিল মনগড়া হিসাবের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে এবং একসঙ্গে তা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ওইসব বিলে দাবিকৃত অর্থের হিসাবের কোনও যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য ভিত্তি নেই। অভিযোগের পক্ষে যেসব প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাতে দেখা যায়, কোনও কোনও ক্ষেত্রে এসব বকেয়া বিলের পরিমাণ সম্ভাব্য যৌক্তিক পরিমাণ অপেক্ষা ১০ গুণেরও বেশি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে এমন ঘটনা সরকারের ভোক্তাবান্ধব ঘোষণাকে ভোক্তাবিরোধী ঘোষণায় পরিণত করেছে। ফলে বিদ্যুৎ খাত এখন বিপর্যয়ের শিকার।

ক্যাব তাদের পর্যালোচনা থেকে জানায়, প্রদত্ত বিল সরকারি ওই ঘোষণা ও বিইআরসি আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে তা অবৈধ ও বেআইনি। এই বেআইনি কৃতকর্মে ভোক্তারা একদিকে যেমন নিপীড়িত, অন্যদিকে তেমনই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। ফলে এ ধরনের কৃতকর্মের প্রতিকার ও প্রতিরোধ জরুরি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক। একারণে ক্যাবের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাব করা হয়। প্রস্তাবগুলো হলো: এক. বিতরণ ইউটিলিটি নির্বিশেষে বর্ণিত সকল বিল বাতিল বা প্রত্যাহারের আদেশ হতে হবে। এ আদেশ না হওয়া পর্যন্ত ওই বিলগুলোর ওপর স্থগিত আদেশ হতে হবে।

দুই. প্রত্যেক ভোক্তাকে মাসভিত্তিক আলাদা আলাদা নতুন বকেয়া বিল প্রদানের জন্য ইউটিলিটিগুলোকে আদেশ দিতে হবে। ভোক্তা সেসব বিল আলাদাভাবে পরিশোধের সুযোগ পাবে। ভোক্তাভেদে কিস্তিতে সে বিল পরিশোধেরও সুযোগ রাখতে হবে। তিন. বিলের পরিমাণ নির্ধারণের মানদণ্ড হবে-পূর্বের দুই বা তিন মাসের বিলের গড় পরিমাণ অথবা আগের বছরে একই মাসের বিলের পরিমাণ। প্রকৃত পরিমাণ অপেক্ষা এ বিল কম বা বেশি হলে পরবর্তীতে তা হবে সমন্বয়যোগ্য- এ মর্মে আদেশ হতে হবে, চার. ইতোপূর্বে সরকারি ছুটি ঘোষণা করার পরও জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও যেসব শ্রমিক কর্মচারীদেরকে জরুরি বিবেচনায় কর্মরত রাখা হয়েছে, তাদের ব্যাপারে গৃহীত সুরক্ষা ব্যবস্থা কতটা মানসম্মত ও গ্রহণযোগ্য, তা অনুসন্ধানের জন্য পক্ষজন প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করার এবং সে কমিটির সুপারিশ মতে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করা হলো। পাঁচ, উক্ত অন্যায় ও অযৌক্তিক বিল প্রদানের দায়ে বিতরণ ইউটিলিটির বিরুদ্ধে রেগুলেটরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব করা হলো। ছয়, ইতোপূর্বে বিইআরসি’র কাছে ক্যাবের পক্ষ থেকে দাখিলকৃত সকল অভিযোগ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তির জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Comments are closed.

© All rights reserved  2020 Daily Surjodoy
Theme Customized BY CreativeNews