ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২ দালালদের মাধ্যমে সুকৌশলে ঘুষ গ্রহন করে। তথ্য জানান লাইন থেকে দালাল চক্র সদস্য- কয়েকটি পরিবারের নিকট থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয় তামাট ভূক্ত ভোগী পরিবার জানান মাস্টার প্লানের আওতায় ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২, ভালুকা,কাচিনা ইউনিয়নের তামাট পশ্চিম পাড়া এলাকা বিদ্যুতায়ন কাজ চলছে। লট নম্বর ১৭ হাজার ২৯৮-নজরুল ইসলাম নামের ঠিকাদার কাজ করছেন। খুঁটি পুতে বেশির ভাগ তার লাগানো হয়,প্রায় চার বছর যাবৎ। কিন্তু আজপযর্ন্ত সংযোগে বিদ্যুৎ লাগেনি। সুত্রে,বলে নাজমুল ও জসিম উদ্দিন নাম দুই দালালের নিকট মিটার প্রতি ১২ থেকে ১৬ হাজার করে টাকা বিগত চার বছর পল্লী বিদ্যুতের সংযোগের নামে সাড়ে ৩ লাখ টাকা তুলে নিয়েছে, এলাকার মানুষ বিদ্যুৎ পাইনি এখন । এদিকে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন টাকা আত্মসাত করে বর্তমানে সৌদি আরব অবস্থান করছেন। গ্রাহক মজনু মিয়া জানান,একটি মিটারের জন্য তিনি জসিম উদ্দিনকে ১৬ হাজার টাকা দিয়েছেন চার বছর আগে কিন্তু এখনো সংযোগ পাননি। একই পাড়ার হাফিজ উদ্দিনও ১৬ হাজার টাকা দিয়েছেন জসিমকে। তাছাড়া, নুরুল ইসলাম, মফিজ, মইজুদ্দিন, সিরাজ মিয়া, হাাফজ উদ্দিন, হানিফ, রুকন, রতন মিয়া, হানি, বাছেদ, কোরবান, তইমুদ্দিন, আতা ও সবুর মিয়া দালাল জসিম উদ্দিনকে ১৬ হাজার টাকা দিয়েছে এবং ১২ হাজার টাকা দিয়েছে মেহেদী নামে এক গ্রাহক। অপরদিকে একই পাড়া হযরত আলীর ছেলে দালাল নাজমুলের কাছে, রফিক ১৬ হাজার, রুহুল, মোতালেব, জাহাঙ্গীর ও জয়নাল ১২ হাজার করে, ছালাম ৭ হাজার, সালাম ও সুলেমন ১১ হাজার করে, ফারুক ১০ হাজার ৮০০, মাসুদ ৫ হাজার ও কাশেম ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। ভূক্তভোগী গ্রাহকরা জানান, কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে দালাল জসিম উদ্দিন বর্তমানে চাকরী নিয়ে সৌদিআরব অবস্থান করছেন। আর এদিকে অপর দালাল নাজমুল আরো টাকার জন্য দাবি করছেন এবং টাকা না দিলে কাউকে সংযোগ দেয়া হবেনা বলে হুমকী দিয়ে আসছেন। এ দিকে বিদ্যুৎ খুঁটি স্থাপন করলেও দালাল নাজমুলের বাঁধার কারণে খুঁটিতে তার লাগাতে না দেয়ায় জন্য তার বাড়ীর পিছনে তিন বিধবা মহিলা মৃত আশরাফুল আলমের স্ত্রী-মৃত আব্বাস উদ্দিনের স্ত্রী এবং মৃত আব্দুস সামাদ এর স্ত্রী বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ার আশঙ্কা বিরাজমান অবস্থায় । ভূক্তভোগী গ্রাহকরা অতিদ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া জন্য উর্ধ্বতণ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্ষন করছেন। নাজমুল টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে জানান টাকা যে সে টাকা আদায় করে সব জসিম উদ্দিনকে দিয়ে দিয়েছেন। জসিম উদ্দিন এখন সৌদি আরব থাকায় সংযোগ পেতে দেড়ি হচ্ছে। অপরদিকে জসিম উদ্দিনের ছেলে সাগর জানান, এখানকার দু’টি লট থেকে ঠিকাদার নজরুল ইসলাম তার সহকারী জালাল ও লিটন তিন লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কিন্ত রহস্যজনক কারণে সংযোগের কাজ শেষ করে না । তবে জালাল উদ্দিন টাকা নেয়া বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, টাকার কথা জসিম ও ঠিকাদার নজরুল ভাই ভালো বলতে পারবেন। তিনি আরও বলেন প্রায় দেড় বছর আগ হবে একটি খুঁটিতে বোতল ট্রান্সফরমার বসানো হলেও স্থানীয় নাজমুল নামে এক দালালের বাঁধার কারণে গ্রাহকরা সংযোগ থেকে বন্ঞ্চিত রয়েছে। এলাকায় গিয়ে সমস্যার সমাধনের চেষ্টা করবো। আরও বলেন, সিডিউল খরচ ছাড়াও অফিসের কিছু খবচ আছে, যেমন মিটার বের করতে গেলে লেভার খবর দিতে হয়। যদিও লেভারগন ওই অফিসেরই তারপরও গত কয়েকদিন আগে কয়েকটি মিটার বের করতে গিয়ে লেভারদের দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে। তাছাড়া গাড়ি বাড়াসহ অনেক খরচ।মযমনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ সহকারী প্রকৌশলী (প্রকল্প বিভাগ) আরিফ হোসাইন জানান বিষয়টি জানা নেই খোঁজ নিয়ে দেখছি এবং অতি দ্রুত গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সংযোগ পান সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Like this:
Like Loading...
Related
এ জাতীয় আরো খবর..
Leave a Reply