1. dailysurjodoy24@gmail.com : admin2020 : TOWHID AHAMMED REZA
  2. editor@dailysurjodoy.com : Daily Surjodoy : Daily Surjodoy
  3. towhid472@gmail.com : Towhid Ahmmed Rezas : Towhid Ahmmed Rezas
ঘাটাইলে প্রভবশালীর প্রতারণায় সর্বস্বান্ত আরবী প্রভাষক আব্দুর রহিম 
শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

ঘাটাইলে প্রভবশালীর প্রতারণায় সর্বস্বান্ত আরবী প্রভাষক আব্দুর রহিম 

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৬.৪৯ পিএম
  • ৯৬ বার পঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জমি বিক্রির টাকা হাতিয়ে নিয়ে দলিল করে দিতে  নানা টালবহানার অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।আর সারাজীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় দিয়ে জমি কিনে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে স্হানীয় আরবী প্রভাষক আঃরহিম।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহর গোপিনপুর ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী  আরবী প্রভাষক আব্দুর রহিম, বুলবুল সিকদার ও বাদল সিকদারের কাছ থেকে শহর গোপিনপুর মৌজার সাবেক ২১৮৭ নং দাগের আট শতাংশ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু জমি রেজিষ্ট্রি করার সময় জমি দাতা প্রতারনা পূর্বক বিক্রিত জমির দাগ নং ২১৮৭ এর স্থলে ২১৮৯ দাগের অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের জমি বিগত ০২-০৫-১৯৯৫খ্রি. রেজিষ্ট্রি করে দেয় যার দলিল নং ৩৫৭৭। রেজিষ্ট্রি মোতাবেক জমি দখল স্বত্ব বুঝে নিয়ে আব্দুর রহিম স্ব-পরিবারে বসবাস শুরু করেন।পরবর্তীতে পাঁকা ঘরের কাজ শুরু করলে দাতা ঘরের কাজ বন্ধ করে দিয়ে দলিল দেখতে চায়।তখনই প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ে এবং এলাকা জানাজানি হয়। এরপর আব্দুর রহিম মাওলানা ০৪-৬-২০১৫খ্রি তারিখ গ্রাম্য সালিশী বৈঠকের মাধ্যমে দলিল সংশোধনের দাবি জানালে জমি দাতা বুলবুল সিকদার পুনরায় তিন লক্ষ টাকা দাবি করে।
তৎকালীন ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ববিন হায়দার সাদী চৌধুরী বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫দিনের মধ্যে সংশোধনী দলিল করে দেয়ার শর্তে বুলবুল সিকদারকে দুইলক্ষ বিশহাজার টাকা শহরগোপিনপুর বাজারের বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেনের মাধ্যমে তুলে দেন আব্দুর রহিম। কিন্তু টাকা হাতে পেয়েও জমি রেজিষ্ট্রি করে দিতে টালবাহানা শুরু করে বুলবুল সিকদার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুলবুল সিকদার বলেন, রহিম মাওলানার দলিলে যে দাগ আছে সে দাগের জমিই তাকে নিতে হবে। সংশোধনী দলিল এবং পরবর্তীতে টাকা নেয়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন,আমার জমিতে এখন আমি ঘর তুলবো ওকে কোন জমি দেওয়া হবে না।
ভুক্তভোগী শিক্ষক আব্দুর রহিম জানান,আমার সারা জীবনের রোজগার দিয়ে এই জমি কিনেছি। আমি সরল বিশ্বাসে ওদের টাকা দিয়েছি,ওরা আমার সাথে এমন প্রতারণা করবে বুঝতে পারিনি। ওদের সাথে আলোচনা করেই আমি বিল্ডিংএর কাজ শুরু করি। টাকা নেয়ার পর প্রান নাশের হুমকি দিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
 স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম জানান, রহিম হুজুরের সাথে ওরা প্রতারণা করেছে। বুলবুল সিকদার গং অত্যন্ত প্রভাশালী,কারো কথা শোনেনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম মিঠু ভূঁইয়া বলেন, আমরা একাধিকবার এই জমির শালিশ করেছি কিন্তু বুলবুল সিকদার গং সালিশে উপস্থিত হয়নি। আমাদের কারো কথা তারা শোনে না। বিষয়টি সম্পূর্ণ সত্য এবং দু:খজনক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved  2020 DailySurjodoy.Com
Theme Customized BY CreativeNews
error: National News Paper in Bangladesh!