1. dainiksurjodoy24@gmail.com : admin2020 : TOWHID AHAMMED REZA
  2. editor@surjodoy.com : Daily Surjodoy : Daily Surjodoy
যুক্তরাষ্ট্রে উত্তাল বিক্ষোভের মধ্যেই থানায় আগুন
বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প সাতকানিয়ায় ১৭ টাকার জন্য যুবককে খুন! রুস্তমপুর হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয়ে অনিয়ম, অতিরিক্ত ইজারার বলি সাধারণ জনগন ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে এমপিও ভুক্ত হলেন কাজেম আলী স্কুল এন্ড কলেজের ৩ শিক্ষক বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করা এখন আগের চেয়ে অনেক কঠিন :শেখ হাসিনা তৃতীয় ধাপে দেশের ৮৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে ১ জুলাই থেকে পানির দাম ১০ শতাংশ বাড়ছে ওয়াসা উপজেলা নির্বাচন : পটিয়ায় দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কুমিল্লায় অটোরিকশা ছিনতাইকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রে উত্তাল বিক্ষোভের মধ্যেই থানায় আগুন

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০, ৭.৪০ পিএম
  • ২২৭ বার পঠিত

ডেস্ক: কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপলিস। ইতোমধ্যেই বিক্ষোভের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভকারীরা মিনিয়াপলিসের একটি থানায় আগুন জ্বালিয়ে দেয়। ওই অগ্নিসংযোগের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

সিএনএন জানিয়েছে, মিনিয়াপলিসের বিক্ষোভে অংশ নেয় কয়েক হাজার আন্দোলনকারী। তাদের অনেককে সংলগ্ন বিভিন্ন ভবনের ছাদে অবস্থান নিতে দেখা যায়। স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টা নাগাদও বিক্ষোভ শান্ত হওয়ার কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি।

সিএনএন-এর সাংবাদিক সারা সিডনার জানান, একদিকে থানার ভেতরে ফায়ার অ্যালার্ম বেজে চলছে। অন্যদিকে বিক্ষোভকারীরা উল্লাস করছে। পুলিশের বেষ্টনী ঘিরে লোকজন আতশবাজি করছে। তবে কোনও সাইরেনের শব্দ পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিনির্বাপনকর্মীদের কোনও তৎপরতা পরিলক্ষিত হয়নি।

ঘটনাস্থল থেকে সিএনএন-এর প্রতিবেদক জোশ ক্যাম্পবেল বলেন, পুলিশ হিসাব কষেই বলপ্রয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা হয়তো এ কারণে যে, পুলিশ জানে তাদের উপস্থিতি উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে তুলবে। এতে করে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়বে।

জোশ ক্যাম্পবেল বলেন, এটি একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি। আমার মনে হয় পুলিশও সেটা অনুধাবন করছে।

২০২০ সালের ২৫ মে পুলিশ জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে খুন করলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। ওই হত্যাকাণ্ডের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে আন্দোলন তীব্রতা পায়।

একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণ করা ১০ মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, হাঁটু দিয়ে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির গলা চেপে ধরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ সদস্য। নিহত ব্যক্তি নিরস্ত্র ছিলেন। ভিডিওতে নিঃশ্বাস নিতে না পেরে তাকে কাতরাতে দেখা যায়। তিনি বারবার শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসারকে বলছিলেন, ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।’

কৃষ্ণাঙ্গদের দাবি, বর্ণবিদ্বেষের বলি হয়েছেন জর্জ ফ্লয়েড। এ ঘটনার প্রতিবাদে প্রথমে স্থানীয়রা রাস্তায় নামলেও পরে দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঢল নামে।

জর্জ ফ্লয়েডের সঙ্গে যা ঘটেছে তাকে আপত্তিকর হিসেবে উল্লেখ করেছেন মিনেসোটর সেন্ট পল এলাকার মেয়র মেলভিন কার্টার। আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভকে ‘বোধগম্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

২০১৯ সালে পুলিশের গুলিতে নিহত সহস্রাধিক

জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের হাতে নাগরিকদের নিহতের উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান সামনে এনেছে। সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট-এর তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে দেশটিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে এক হাজার ১৪ জন। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, নিহতদের বেশিরভাগই কৃষ্ণাঙ্গ।

ম্যাপিং পুলিশ ভায়োলেন্স নামে একটি বেসরকারি সংস্থার চালানো জরিপে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে শ্বেতাঙ্গদের তুলনায় তিন গুণ বেশি মারা যায় কৃষ্ণাঙ্গরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Comments are closed.

© All rights reserved  2020 Daily Surjodoy
Theme Customized BY CreativeNews